যুবকের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে অতঃপর তার স্ত্রীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার এক পুলিশ কনস্টেবল। বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত ওই পুলিশ কনস্টেবলকে প্রত্যাহারাদেশ দেন কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার। জানাযায়, গত প্রায় ৮ বছর পূর্বে রৌমারী উপজেলার মধ্য ইছাকুড়ি গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাওপুর গ্রামের এক যুবকের বিয়ে হয়। দম্পতির ঘরে একটি আট বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। যুবক শশুর বাড়ি এলাকায় থেকে পাথর ভাঙার কাছ ও বড়শির সাহায্যে নদীতে মাছ ধরতেন।
এর একপর্যায়ে কনস্টেবল মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। উভয়ের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ গড়ে উঠলে যুবক তার বাড়িতে দাওয়াত করে নিয়ে যান। কনস্টেবল মোস্তাফিজ সুযোগ বুঝে যুবকের স্ত্রীর মোবাইল নম্বর নেন।
এরপর থেকেই গোপনে কথাবার্তা ও যাতায়াতের মধ্যদিয়ে গড়ে উঠে বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্ক। রৌমারী থানা অফিসার্স ইনচার্জ মো. লুৎফর রহমান বলেন, ভিকটিম যুবক থানায় এসেছিলেন। অভিযুক্ত কনস্টেবল মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।#
প্রতিবেদকঃ মোবাশ্বের নেছারী
0 Comments