কুড়িগ্রামের চাঁদাবাজ ও কথিত সাংবাদিক আলমগীর হোসেনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজী ও নাগেশ্বরীর প্রকৃত সাংবাদকিদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয় করার প্রতিবাদ ও তার গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাগেশ্বরী উপজেলার সকল সাংবাদিকদের আয়োজনে শনিবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৩ টায় কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের মাইক্রোস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রেসক্লাব নাগেশ্বরীর সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন কুড়িগ্রামের কথিত সাংবাদিক আলমগীর হোসেন দৈনিক বাংলাদেশ কণ্ঠ ও সোনালী খবর পত্রিকার নাম ব্যবহার করে নাগেশ্বরী উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ইটভাটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি করে চাঁদাবাজী করে বেড়ায়। চাঁদার টাকা না দিলে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের মাধ্যমে মানুষকে হয়রানী করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়। এভাবে নাগেশ্বরী উপজেলার প্রকৃত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে।
এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিসে গিয়ে ঈদের সেলামীর নাম করে চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না পেয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের হুমকী দেয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সংবাদকর্মীসহ স্থানীয়রা তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করতে চাইলে কথিত ওই সাংবাদিক আলমগীর হোসেন ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিয়ে পার পেয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার কথিত ওই সাংবাদিক নাগেশ্বরীর প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অপপ্রচার, মিথ্যা, বানোয়ট ও মনগড়া কথা লিখে পোস্ট করে ও সংবাদ প্রচার করে। এছাড়াও মানবন্ধনে কথিত ওই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনার জোড় দাবি করেন বক্তারা।
আলমগীর হোসেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। সে বাংলাদেশ কণ্ঠ, দৈনিক সোনালী খবর এবং দৈনিক আলোর সময় পত্রিকায় চুক্তিভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও সে মোগলবাসা ইউনিয়ন যুবলীগের সক্রীয় নেতা বলেও জানা গেছে।
প্রতিবেদকঃ মিজানুর,নাগেশ্বরী
0 Comments